এইচএসসি জীববিজ্ঞান ২য় পত্র: ২য় অধ্যায় 'প্রাণীর পরিচিতি' ঘাসফড়িংয়ের ওমাটিডিয়ামের গঠন, দর্শন কৌশল (অ্যাপোজিশন ও সুপারপজিশন) ও সৃজনশীল বোর্ড সমাধান ২০২৬

HSC Biology 2nd Paper Grasshopper Ommatidium Structure and Vision Mechanism Apposition Superposition Board Solution 2026

উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের কাছে জীববিজ্ঞান ২য় পত্রের (প্রাণীবিজ্ঞান) সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং সবচেয়ে বেশি নম্বর বহনকারী অধ্যায় হলো ২য় অধ্যায় 'প্রাণীর পরিচিতি' (Introduction to Animals)। বিগত বছরগুলোর ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, কুমিল্লাসহ সকল শিক্ষা বোর্ডের সৃজনশীল প্রশ্নপত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, হাইড্রা, ঘাসফড়িং ও রুই মাছ—এই তিনটি আদর্শ প্রাণীর মধ্যে ঘাসফড়িং (Grasshopper - Poekilocerus pictus) অংশ থেকে প্রতি বছর অবধারিতভাবে একটি পূর্ণাঙ্গ ১০ নম্বরের সৃজনশীল প্রশ্ন এসে থাকে। বিশেষ করে ঘাসফড়িংয়ের পুঞ্জাক্ষির গঠন একক 'ওমাটিডিয়াম' (Ommatidium)-এর বিভিন্ন অংশের চিহ্নিত চিত্র, তীব্র ও স্তিমিত আলোতে দর্শন কৌশল অর্থাৎ অ্যাপোজিশন (Apposition) ও সুপারপজিশন (Superposition) প্রতিবিম্ব তৈরির কৌশল এবং ঘাসফড়িংয়ের অসম্পূর্ণ রূপান্তর (Metamorphosis) শিক্ষার্থীদের কাছে অত্যন্ত প্রিয় অথচ পরীক্ষার খাতায় ভুল করার মতো একটি জটিল বিষয়। ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের প্রাণীবিজ্ঞানে শতভাগ পূর্ণ নম্বর ও এ-প্লাস (A+) নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সম্পূর্ণ ওমাটিডিয়ামের গঠন, দর্শন কৌশলের তুলনামূলক ছক, শর্টকাট মনে রাখার কৌশল এবং একটি পূর্ণাঙ্গ বোর্ড স্ট্যান্ডার্ড সৃজনশীল প্রশ্ন সমাধান নিচে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো:

১. পুঞ্জাক্ষি বনাম সরল চোখ: ওমাটিডিয়ামের গঠন ও কাজ

ঘাসফড়িংয়ের মস্তকের পৃষ্ঠ-পার্শ্বদেশে দুটি বৃহৎ, কালো ও উত্তল পুঞ্জাক্ষি (Compound Eye) অবস্থিত। প্রতিটি পুঞ্জাক্ষি প্রায় ২,০০০ ওমাটিডিয়াম নামক দর্শন একক নিয়ে গঠিত। একটি আদর্শ ওমাটিডিয়ামের ১০টি প্রধান অংশ থাকে, যা নিচে সুবিন্যস্তভাবে বর্ণনা করা হলো:

অংশের নাম গঠনগত বৈশিষ্ট্য প্রধান কাজ ও গুরুত্ব
১. কর্নিয়া (Cornea) ওমাটিডিয়ামের সর্ববহিঃস্থ স্বচ্ছ, উত্তল ও কিউটিকল নির্মিত অংশ। লেন্স হিসেবে কাজ করে এবং আলোকরশ্মিকে ভেতরে প্রবেশ করায়।
২. কর্নিয়াজেন কোষ (Corneagen Cells) কর্নিয়ার ঠিক নিচে অবস্থিত একজোড়া পাশাপাশি কোষ। এরা ক্ষরণের মাধ্যমে কর্নিয়া তৈরি ও পুনর্গঠন করে।
৩. ক্রিস্টালাইন কোণ (Crystalline Cone) কর্নিয়াজেন কোষের নিচে অবস্থিত ৪টি স্বচ্ছ, মোচাকৃতির অঙ্গাণু। আলোকরশ্মিকে প্রতিসরণ করে রেটিনুলার কোষে প্রেরণ করে।
৪. ক্রিস্টালাইন কোণ কোষ (Cone Cells) ক্রিস্টালাইন কোণকে ঘিরে অবস্থিত ৪টি লম্বাটে কোষ। ক্রিস্টালাইন কোণকে পুষ্টি জোগায় ও সুনির্দিষ্ট স্থানে ধরে রাখে।
৫. আইরিশ রঞ্জক আবরণী (Iris Pigment Sheath) ক্রিস্টালাইন কোণকে বেষ্টনকারী কালো রঞ্জকযুক্ত কোষ। আলোর তীব্রতায় সংকুচিত ও প্রসারিত হয়ে আলো প্রবেশের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
৬. রেটিনুলার কোষ (Retinular Cells) ভিত্তিপর্দার ওপর অবস্থিত ৭ বা ৮টি লম্বাটে আলোকসংবেদী কোষ। আলোক উদ্দীপনা গ্রহণ করে এবং র্যাবডোম গঠন করে।
৭. র্যাবডোম (Rhabdome) রেটিনুলার কোষগুলোর কেন্দ্রে অবস্থিত স্বচ্ছ, মাকু আকৃতির দণ্ড। আলোর অনুভূতি সরাসরি গ্রহণ করে স্নায়ুতে রূপান্তর করে।
৮. রেটিনাল রঞ্জক আবরণী (Retinal Pigment Sheath) রেটিনুলার কোষের চারপাশে বিস্তৃত কালো রঙের আবরণী। একটি ওমাটিডিয়ামকে অপর ওমাটিডিয়াম থেকে পৃথক ও আলোকনিরোধক রাখে।
৯. ভিত্তিপর্দা (Basement Membrane) ওমাটিডিয়ামের নিচে অবস্থিত পাতলা সংযোগকারী পর্দা। ওমাটিডিয়ামের সকল অংশকে একসাথে ভিত্তির ওপর ধরে রাখে।
১০. অপটিক স্নায়ুতন্তু (Optic Nerve Fibres) প্রতিটি রেটিনুলার কোষের গোড়া থেকে নির্গত সূক্ষ্ম স্নায়ুতন্তু। আলোক সংবেদ সরাসরি অপটিক গ্যাংগলিয়ন বা মস্তিষ্কে প্রেরণ করে।

২. ঘাসফড়িংয়ের দর্শন কৌশল: অ্যাপোজিশন বনাম সুপারপজিশন প্রতিবিম্ব

আলোর তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ঘাসফড়িং দুই ধরনের প্রতিবিম্ব তৈরি করে। পরীক্ষার 'গ' ও 'ঘ' নম্বরের জন্য এই অংশটি সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ:

ক) অ্যাপোজিশন বা মোজাইক প্রতিবিম্ব (উজ্জ্বল আলোতে):

তীব্র বা উজ্জ্বল আলোতে (দিনের বেলায়) আইরিশ ও রেটিনাল রঞ্জক আবরণী দুটি সম্পূর্ণ প্রসারিত হয়ে পুরো ওমাটিডিয়ামকে ঢেকে ফেলে। ফলে একটি ওমাটিডিয়ামে শুধুমাত্র উলম্বভাবে আপতিত আলোকরশ্মি প্রবেশ করতে পারে এবং তীর্যক আলোকরশ্মি রঞ্জক কণা দ্বারা শোষিত হয়। এতে প্রতিটি ওমাটিডিয়ামে বস্তুর কেবল একটি ক্ষুদ্র অংশের আলাদা আলাদা প্রতিবিম্ব তৈরি হয়। এই সবগুলো ক্ষুদ্র প্রতিবিম্ব মস্তিষ্কে একত্রিত হয়ে একটি খণ্ড খণ্ড মোজাইক আকৃতির সম্পূর্ণ কিন্তু স্পষ্ট প্রতিবিম্ব তৈরি করে। একে অ্যাপোজিশন (Apposition) বা মোজাইক প্রতিবিম্ব বলা হয়।

খ) সুপারপজিশন প্রতিবিম্ব (স্তিমিত আলোতে):

স্তিমিত বা মৃদু আলোতে (সন্ধ্যায় বা রাতে) কম আলো থাকার কারণে আইরিশ ও রেটিনাল রঞ্জক আবরণী দুটি সংকুচিত হয়ে ওমাটিডিয়ামের এক প্রান্তে চলে যায়। ফলে ওমাটিডিয়ামের পার্শ্ববর্তী আলোকনিরোধক দেয়াল অপসারিত হয়। এতে উলম্ব আলোকরশ্মির পাশাপাশি তীর্যক আলোকরশ্মিও ক্রিস্টালাইন কোণ পার হয়ে একাধিক ওমাটিডিয়ামের র্যাবডোমে আপতিত হয়। অর্থাৎ একটি র্যাবডোমে একাধিক ওমাটিডিয়ামের আলো এসে একে অপরের ওপর উপরিপাতিত (Overlapped) হয়। ফলে তৈরি প্রতিবিম্বটি খুব স্পষ্ট হয় না, কিন্তু বস্তুর অস্পষ্ট বা ঝাপসা রূপরেখা বোঝা যায়। একে সুপারপজিশন (Superposition) প্রতিবিম্ব বলা হয়।

তুলনার বিষয় অ্যাপোজিশন (মোজাইক) প্রতিবিম্ব সুপারপজিশন প্রতিবিম্ব
১. আলোর অবস্থা তীব্র বা উজ্জ্বল আলোতে (দিনের বেলায়)। মৃদু বা স্তিমিত আলোতে (সন্ধ্যায় বা রাতে)।
২. রঞ্জক আবরণীর অবস্থা সম্পূর্ণ প্রসারিত থাকে। সংকুচিত হয়ে কোণে গুটিয়ে থাকে।
৩. আলোর গতিপথ কেবল উলম্ব আলোকরশ্মি র্যাবডোমে পৌঁছায়। উলম্ব ও তীর্যক উভয় আলোকরশ্মি র্যাবডোমে পৌঁছায়।
৪. প্রতিবিম্বের প্রকৃতি পৃথক খণ্ড খণ্ড স্পষ্ট প্রতিবিম্ব (মোজাইক দৃশ্য)। উপরিবাতিত বা ঝাপসা ও অস্পষ্ট প্রতিবিম্ব।

৩. ঘাসফড়িংয়ের রূপান্তর (Metamorphosis): হেমিমেটাবোলাস বৈশিষ্ট্য

ঘাসফড়িংয়ের রূপান্তর হলো অসম্পূর্ণ রূপান্তর বা হেমিমেটাবোলাস (Hemimetabolous)। ডিম ফুটে যে বাচ্চা বের হয়, তা দেখতে প্রায় পূর্ণাঙ্গ ঘাসফড়িংয়ের মতো হলেও আকারে ছোট এবং ডানা ও জননাঙ্গবিহীন থাকে। এই অপরিণত দশাকে বলা হয় নিম্ফ (Nymph)। নিম্ফ ধাপে ধাপে খোলস মোচন (Ecdysis বা Moulting) করে। ঘাসফড়িংয়ের জীবনে মোট ৫ বার খোলস মোচন ঘটে। দুটি খোলস মোচনের মধ্যবর্তী সময়কালকে বলা হয় স্টেডিয়াম (Stadium) এবং এই সময়ের নিম্ফকে বলা হয় ইনস্টার (Instar)। পঞ্চমবার খোলস মোচনের পর নিম্ফ ডানাযুক্ত পূর্ণাঙ্গ ঘাসফড়িং বা ইমাগো (Imago)-তে পরিণত হয়। এই পুরো রূপান্তর প্রক্রিয়াটি প্রোথোরাসিক গ্রন্থি থেকে ক্ষরিত 'একডাইসোন' (Ecdysone) এবং কর্পোরা অ্যাল্যাটা থেকে ক্ষরিত 'জুভেনাইল হরমোন' দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।

৪. পূর্ণাঙ্গ বোর্ড স্ট্যান্ডার্ড সৃজনশীল প্রশ্ন ও মডেল উত্তর

উদ্দীপক: উচ্চ মাধ্যমিক ব্যবহারিক ক্লাসে শিক্ষক বোর্ডে একটি কীটের দর্শন অঙ্গের চিত্র আঁকলেন, যার প্রতিটি এককে প্রায় ২,০০০টি বিশেষ অংশ রয়েছে। তিনি বললেন, আলোকের তীব্রতার ওপর ভিত্তি করে এই অঙ্গটি ভিন্ন ভিন্ন কৌশলে প্রতিবিম্ব তৈরি করে প্রাণীটিকে শত্রুর হাত থেকে রক্ষা করে ও খাদ্য শিকারে সাহায্য করে।

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর:

(ক) ওমাটিডিয়াম কী? (১ নম্বর)
উত্তর: আর্থ্রোপোডা পর্বের প্রাণীদের (যেমন ঘাসফড়িং) পুঞ্জাক্ষির গঠন ও কাজের মৌলিক একককে ওমাটিডিয়াম বলে।

(খ) ঘাসফড়িংয়ের রূপান্তরকে অসম্পূর্ণ রূপান্তর বলা হয় কেন? (২ নম্বর)
উত্তর: ঘাসফড়িংয়ের রূপান্তরে লার্ভা ও পিউপা দশা অনুপস্থিত থাকে। ডিম ফুটে যে নিম্ফ বের হয় তা দেখতে ক্ষুদ্রাকৃতির পূর্ণাঙ্গ প্রাণীর মতো এবং ৫ বার খোলস মোচনের মাধ্যমে ক্রমান্বয়ে পূর্ণাঙ্গ ঘাসফড়িংয়ে রূপান্তরিত হয়। যেহেতু রূপান্তরের ধাপগুলো সম্পূর্ণ আলাদা রূপ নেয় না, তাই একে অসম্পূর্ণ বা হেমিমেটাবোলাস রূপান্তর বলে।

(গ) উদ্দীপকের অঙ্গটির মৌলিক এককের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করো। (৩ নম্বর)
পরীক্ষার খাতায় লেখার কৌশল: একটি পরিষ্কার ওমাটিডিয়ামের লম্বচ্ছেদ অঙ্কন করে কর্নিয়া, কর্নিয়াজেন কোষ, ক্রিস্টালাইন কোণ, আইরিশ রঞ্জক আবরণী, র্যাবডোম, রেটিনুলার কোষ, রেটিনাল রঞ্জক আবরণী ও অপটিক স্নায়ুতন্তু লেবেলিং করতে হবে।

(ঘ) উদ্দীপকে উল্লেখিত আলোর তীব্রতার ওপর ভিত্তি করে দর্শন কৌশলের ভিন্নতা বিশ্লেষণ করো। (৪ নম্বর)
উত্তর কাঠামো: উজ্জ্বল আলোতে আইরিশ ও রেটিনাল রঞ্জক আবরণী সম্পূর্ণ প্রসারিত হয়ে কেবল উলম্ব রশ্মি গ্রহণ করে স্পষ্ট অ্যাপোজিশন প্রতিবিম্ব তৈরি করে। অন্যদিকে স্তিমিত আলোতে রঞ্জক আবরণী সংকুচিত হয়ে তীর্যক ও উলম্ব উভয় রশ্মি উপরিপাতনের মাধ্যমে সুপারপজিশন প্রতিবিম্ব তৈরি করে। উভয় কৌশলের চিত্রসহ তুলনামূলক পার্থক্যের ব্যাখ্যা তুলে ধরতে হবে।

৫. যৌগিক চোখ বনাম সরল চোখ (মানুষ ও ঘাসফড়িংয়ের দৃষ্টির তুলনা)

পরীক্ষায় অনুধাবনমূলক প্রশ্নে প্রায়ই আসে—ঘাসফড়িংয়ের পুঞ্জাক্ষি এবং মানুষের সরল চোখের মধ্যে মৌলিক পার্থক্য কী? নিচে তুলনামূলক আলোচনা দেওয়া হলো:

বৈশিষ্ট্য ঘাসফড়িংয়ের পুঞ্জাক্ষি (Compound Eye) মানুষের সরল চোখ (Simple Eye)
১. দর্শন একক প্রতি চোখে প্রায় ২,০০০টি ওমাটিডিয়াম নিয়ে গঠিত। একটি মাত্র একক লেন্স ও রেটিনা নিয়ে গঠিত।
২. প্রতিবিম্বের ধরন খণ্ড খণ্ড মোজাইক বা উপরিপাতিত প্রতিবিম্ব। সম্পূর্ণ ও উল্টো একক প্রতিবিম্ব (মস্তিষ্কে সোজা হয়)।
৩. দৃষ্টির পরিধি প্রায় ৩৬০ ডিগ্রি বা চারপাশের বিশাল ক্ষেত্র দেখতে পায়। সর্বোচ্চ ১৮০ ডিগ্রি দ্বিনেত্র দৃষ্টি (Binocular Vision)।
৪. গতি শনাক্তকরণ অতি দ্রুত গতিশীল বস্তুর সূক্ষ্মতম নড়াচড়া তাৎক্ষণিক ধরে ফেলে। তুলনামূলক ধীর গতির নড়াচড়া শনাক্তে কার্যকর।

৬. ঘাসফড়িং অধ্যায়ের বিগত ৫ বছরের বোর্ড এমসিকিউ শর্টকাট হ্যাকস

  • ওমাটিডিয়ামের প্রতিসরণশীল অংশ: কর্নিয়া ও ক্রিস্টালাইন কোণ।
  • ওমাটিডিয়ামে আলো সংবেদী অংশ: র্যাবডোম (রেটিনুলার কোষ দ্বারা গঠিত)।
  • তীব্র আলোতে তৈরি প্রতিবিম্ব: অ্যাপোজিশন (মোজাইক)।
  • স্তিমিত আলোতে তৈরি প্রতিবিম্ব: সুপারপজিশন।
  • খোলস মোচনের সংখ্যা: ৫ বার; রূপান্তরের ধরন: হেমিমেটাবোলাস।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQ)

১. ওমাটিডিয়ামের কোন অংশটি আলো প্রতিসরণে মূল ভূমিকা রাখে?

কর্নিয়া এবং ক্রিস্টালাইন কোণ ওমাটিডিয়ামের মূল প্রতিসরণ মাধ্যম হিসেবে কাজ করে এবং আলোকরশ্মিকে কেন্দ্রস্থ র্যাবডোমে কেন্দ্রীভূত করে।

২. নিম্ফ ও পূর্ণাঙ্গ ঘাসফড়িংয়ের মধ্যে প্রধান পার্থক্য কী?

নিম্ফে কোনো ডানা ও কার্যকর প্রজনন অঙ্গ থাকে না, যা খোলস মোচনের পর পূর্ণাঙ্গ অবস্থায় সৃষ্টি হয়।

৩. মোজাইক প্রতিবিম্বের প্রধান সুবিধা কী?

মোজাইক প্রতিবিম্বের মাধ্যমে ঘাসফড়িং খুব দ্রুত গতিশীল বস্তুর সূক্ষ্মতম নড়াচড়া তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করতে পারে, যা তাকে শিকারী পাখির আক্রমণ থেকে বাঁচায়।

Post a Comment

Previous Post Next Post